বাংলাদেশ পাসপোর্টের ছবি: পাসপোর্ট অফিসে তোলা হয়, আপলোড করা যায় না

বাংলাদেশের অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর (DIP) বায়োমেট্রিক নথিভুক্তির সময় সশরীরে আপনার ছবি তুলে নেয়, তাই IDPhotoBy এই ডকুমেন্টের জন্য ছবি প্রস্তুত করতে পারে না। নিচে দেখুন প্রক্রিয়াটি আসলে কীভাবে কাজ করে, আর IDPhotoBy অন্য কোন ডকুমেন্টের ছবিতে সাহায্য করতে পারে।

এখনই ছবি তৈরি করুন

বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের জন্য আপনি নিজে কোনো ছবি আপলোড বা জমা দিতে পারবেন না — IDPhotoBy দিয়েও না, অন্য কোনো স্ব-সেবা টুল দিয়েও না। বাংলাদেশের অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর (Department of Immigration & Passports, DIP) সাধারণ (৬ বছর বা তার বেশি বয়সী আবেদনকারীদের) ই-পাসপোর্ট শুধুমাত্র বাধ্যতামূলক সশরীরে বায়োমেট্রিক নথিভুক্তির মাধ্যমে ইস্যু করে: অনলাইন ফরম পূরণের পর আপনাকে সশরীরে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হয়, আর সেখানে DIP-এর নিজস্ব কর্মকর্তারাই আপনার ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য সরাসরি তুলে নেন। DIP নিজেই তার ই-পাসপোর্ট পোর্টালে স্পষ্ট করে বলেছে যে অনলাইন ফরমে কোনো ছবি সংযুক্ত করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু কোনো আবেদন-চ্যানেলই ব্যবহারকারীর নিজের তোলা, আপলোড করা বা সফটওয়্যারে প্রস্তুত করা ছবি গ্রহণ করে না, তাই IDPhotoBy বাংলাদেশ পাসপোর্টের জন্য কোনো ছবি প্রস্তুত করে না।

এই পাতায় থাকছে কেন এমন, প্রক্রিয়াটি আসলে কীভাবে কাজ করে, আর IDPhotoBy অনলাইনে অন্য কোন ডকুমেন্টের ছবিতে সাহায্য করতে পারে।

কেন বাংলাদেশ পাসপোর্টের ছবি অনলাইনে আপলোড করা যায় না

DIP নিজেই তাদের ই-পাসপোর্ট পোর্টালের নির্দেশাবলীতে এই বিষয়ে স্পষ্ট। ফরম পূরণের নির্দেশাবলীতে বলা আছে:

৩। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।

সহজ কথায় — ই-পাসপোর্টের অনলাইন আবেদনপত্রে ছবি সংযুক্ত করার কোনো প্রয়োজন নেই, এবং কোনো ছবি সত্যায়িতও করাতে হয় না। কিন্তু অনলাইন ফরম জমা দেওয়ার পর, ৬ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রতিটি আবেদনকারীকে বাংলাদেশের কোনো আঞ্চলিক/জেলা পাসপোর্ট অফিসে অথবা বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে সশরীরে গিয়ে বায়োমেট্রিক নথিভুক্তি করাতে হয় — সেখানে অফিসের নিজস্ব যন্ত্রপাতি দিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিশ স্ক্যান ও ছবি একসঙ্গে নেওয়া হয়। এই সশরীরে উপস্থিতির জন্য DIP-এর নিজস্ব "সঙ্গে আনতে হবে এমন কাগজপত্র"-এর তালিকাতেও কোনো ছবির উল্লেখ নেই — আবেদনের সারাংশ, পরিচয়পত্র, পেমেন্ট স্লিপ, আগের পাসপোর্ট ও প্রিন্ট করা আবেদনপত্রের কথা বলা আছে, ছবির কথা নেই। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোর নিজস্ব তথ্যেও একই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়েছে — সশরীরে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, আর হালকা রঙের পোশাক পরে গেলে নথিভুক্তি সিস্টেমের সফটওয়্যার ছবি তুলতে অস্বীকার করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে, যা নিশ্চিত করে যে ছবিটি সিস্টেম নিজেই তুলে নেয় — আবেদনকারী সরবরাহ করে না। এই নিয়ম শুধু বাংলাদেশে আবেদনের জন্য নয়, বিদেশে অবস্থিত মিশনগুলোতে আবেদনের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য।

যেহেতু সাধারণ (৬ বছর বা তার বেশি বয়সী) আবেদনকারীর জন্য কোনো ধাপেই আপনি নিজে ছবি সরবরাহ করেন না, তাই DIP সাধারণ প্রক্রিয়ার জন্য আবেদনকারীর নিজের ছবির কোনো নির্দিষ্ট মাপ বা ব্যাকগ্রাউন্ডের স্পেসিফিকেশনও প্রকাশ করেনি। অনলাইনে কিছু টুল "বাংলাদেশ পাসপোর্ট ছবি"-র জন্য একটি নির্দিষ্ট মাপ বিজ্ঞাপন দিতে পারে — বিভিন্ন টুল ভিন্ন ভিন্ন মাপও দাবি করে থাকে — কিন্তু এই মাপগুলোর কোনোটিই সাধারণ প্রক্রিয়ার জন্য DIP-এর কোনো স্পেসিফিকেশন থেকে আসেনি, কারণ এমন কোনো স্পেসিফিকেশন বিদ্যমান নেই।

একটি সংকীর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে যা এই সাধারণ ডকুমেন্টের জন্য প্রযোজ্য নয়: ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সশরীরে বায়োমেট্রিক নথিভুক্তি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, আর তাদের জন্য DIP-এর নিজস্ব নির্দেশাবলীতে বলা হয়েছে —

২২। ০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩ আর (3R Size) সাইজের ( ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড ) ছবি দাখিল করতে হবে।

অর্থাৎ, ৬ বছরের কম বয়সী আবেদনকারীর জন্য একটি ৩R সাইজের (৮৯×১২৭ মিমি) ল্যাব-প্রিন্ট করা ছবি জমা দিতে হয়। প্রসঙ্গত, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোর নিজস্ব তথ্যে এই একই ব্যতিক্রমের ব্যাকগ্রাউন্ড রং সাদা (এবং ছবির অন্তত ৪০% অংশ জুড়ে) বলা হয়েছে — DIP পোর্টালের "গ্রে ব্যাকগ্রাউন্ড"-এর সঙ্গে এই তথ্যের অমিল রয়েছে, যা আমরা এখানে সমাধান না করেই উভয় সূত্র অনুযায়ী জানিয়ে রাখছি। এই ব্যতিক্রম শুধুমাত্র ৬ বছরের কম বয়সী আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য — এটি এই পাতার আলোচ্য সাধারণ (৬+) পাসপোর্ট প্রক্রিয়া নয়। আপনার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হলে, আবেদনের আগে সরাসরি আপনার নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিস বা বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে বর্তমান শর্ত যাচাই করে নিন।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য দেখুন DIP-এর ই-পাসপোর্ট পোর্টালের নির্দেশাবলী পাতা

ই-পাসপোর্টের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন

বাংলাদেশ ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে:

  • আপনার এলাকায় ই-পাসপোর্ট সুবিধা চালু আছে কিনা যাচাই করুন, তারপর epassport.gov.bd পোর্টালে অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করুন — এই ফরমে কোনো ছবি সংযুক্ত করার প্রয়োজন নেই।
  • নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন এবং আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি, সারাংশ শিট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (পরিচয়পত্র, পূর্বের পাসপোর্ট থাকলে তা) প্রস্তুত রাখুন।
  • নির্ধারিত তারিখে সশরীরে আপনার আঞ্চলিক/জেলা পাসপোর্ট অফিসে, অথবা বিদেশে হলে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে উপস্থিত হন — সশরীরে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। সেখানে বায়োমেট্রিক নথিভুক্তি সম্পন্ন হয়: ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিশ স্ক্যান এবং আপনার ছবি — সবকিছু একসঙ্গে অফিসের নিজস্ব যন্ত্রপাতিতে তোলা হয়।
  • পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়ে গেলে DIP-এর নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিস বা মিশন থেকে সংগ্রহ করুন।

৬ বছরের কম বয়সী শিশুর পক্ষে আবেদন করলে, উপরে উল্লিখিত সংকীর্ণ ব্যতিক্রম অনুযায়ী কোন ছবি সঙ্গে আনতে হবে তা আপনার পাসপোর্ট অফিস বা বাংলাদেশ মিশনের কাছে সরাসরি নিশ্চিত করে নিন — এটি সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক প্রক্রিয়ার অংশ নয়।

IDPhotoBy আর কোথায় সাহায্য করতে পারে

IDPhotoBy শুধুমাত্র সেসব ডকুমেন্টের জন্য অনলাইনে ছবি প্রস্তুত করে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীর নিজের তোলা ও আপলোড করা ছবি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ পাসপোর্ট এর মধ্যে পড়ে না — DIP নিজেই সশরীরে বায়োমেট্রিক নথিভুক্তির সময় ছবিটি তুলে নেয়। তাই বাংলাদেশ পাসপোর্টের জন্য IDPhotoBy-এর প্রস্তুত করার মতো কিছু নেই।

আমরা এখনও বাংলাদেশের অন্য কোনো নির্দিষ্ট ডকুমেন্টের জন্য আলাদা পাতা তৈরি করিনি, তবে IDPhotoBy অন্যান্য অনেক দেশের পাসপোর্ট, ভিসা ও পরিচয়পত্রের ছবি অনলাইনে প্রস্তুত করে — বিনামূল্যে, কোনো পেমেন্ট ছাড়াই। আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টটি সাপোর্টেড কিনা দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

IDPhotoBy যেসব ডকুমেন্ট সাপোর্ট করে তা দেখুন →

প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী পরিবর্তিত হতে পারে — আবেদনের আগে DIP-এর নিজস্ব ই-পাসপোর্ট পোর্টাল যাচাই করে নিন, এবং সবসময় DIP অথবা আপনার সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস/মিশনকেই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করুন।

বিষয়সূচি:

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

সম্পর্কিত ছবির শর্তাবলী পৃষ্ঠা